× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

যে কারণে বিশ্বজুড়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইওরাই রক্ষাকর্তা

০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২৩:৪৫ পিএম । আপডেটঃ ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২৩:৪৬ পিএম

তুলনায় আমেরিকায় যারা প্রবাসী তারাই পড়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স এবং টেকনোলজি অধিক মাত্রায়। 

৫) কাজের জায়গাকে আপন করে নেওয়া, সহকর্মীদের পরিবার হিসেবে গণ্য করা -  ইন্দ্রা নুয়ি যখন পেপসিকো-এর সিইও হলেন তখন তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা গিয়েছিলেন তাঁর মায়ের কাছে অভিনন্দন জানাতে। তাঁর মাথায় নতুন আইডিয়া খেলে গিয়েছিল তখনই এবং তিনি তা প্রয়োগ করেছিলেন। নুয়ি পেপসির স্টার পার্ফর্মারদের বাবা-মাদের 'থ্যাঙ্ক ইউ' কার্ড পাঠিয়েছিলেন।  ভারতীয় ঐতিহ্য মেনে চা খাইয়ে আপ্যায়ন, বিবাহ বা অন্যান্য শুভকাজে পরিবার হিসেবে কোম্পানির যোগদান, একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মনোভাব বাড়ি আর অফিসের ভাগাভাগি ভেঙে দেয় সহজেই। 

৬)বৈচিত্র-  কাজের জায়গায় বৈচিত্র থাকার অর্থই হল স্বীকৃতি। আমেরিকায়  বিভেদমূলক মনোভাব যত কমেছে এশীয়দের সাফল্য এসেছে ততই। মার্কিনিরা বিশ্বাস করেছেন সুযোগ দানে, বেতনে সাম্য প্রদানে এবং  এশীয় সহকর্মীর সঙ্গে শ্রদ্ধাসহ সহাবস্থানে। ইমিগ্রেশন ও ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট ১৯৬৫ লাগু হওয়ার পরই কিন্তু ভারতীয়দের উত্থান ঘটেছে ওই দেশে। সংরক্ষণ উঠে গেছে, বর্ণ বিদ্বেষ কমেছে আগের থেকে আর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বেড়ে গেছে অনেকখানি। তাই এশীয়দের এই সাফল্য।


৭) অকৃত্রিমতা ও অভি্যোজন-  মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা ভারতীয়দের অনেক বেশি। ভারতীয়রা মূল্যবোধ ও চরিত্রের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।  নিজের দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে ওখানকার সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়ার মধ্যেই সহকর্মীদের মধ্যে গড়ে ওঠে একতা। 


৮ )  সময় মূল্যবান, সময় অনির্দিষ্ট-  মার্কিনিরা জীবন আর কাজকে ভাগ করে বাইনারি তত্ত্বে। কিন্তু ভারতীয়রা এই দুইকে মিলিয়ে দিতে পেরেছেন সময়ে, অসময়ে। মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লা এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, "আমি চেয়েছি কাজে আর জীবনে সংহতি নিয়ে আসতে, আমার কাজের সঙ্গে আমার ভালোলাগা জড়িয়ে ছিল। মাইক্রোসফটের মাধ্যমেই তো আমি আমার প্যাশন পূরণ করতে পারব, এই ছিল আমার চিন্তাধারা। আর এর ফলেই আমার মন ও প্রাণ উদ্বেগ্মুক্ত থাকত"। 


৯) গুণতন্ত্রে বিশ্বাস- একজন অভিবাসীর সিইও হয়ে ওঠার কাহিনি বিরল আর এক্ষেত্রে একজন অভিবাসী নন একাধিক। তাই এই তথ্য কেবল বিরল নয় স্মরণীয়। আমেরিকায় কাজের ধারা এমন। হয়তো অতিসরলীকরণ হয়ে যাবে তবুও একথা বলতেই হয় আমেরিকার পুঁজিবাদে বিশ্বাস রেখে একজন সিইওকে কিন্তু জানতে হয় কীভাবে একত্রীকরণ  করবেন  বাজার,বিনিয়োগকারীদের, এবং সমস্ত কর্মী্দের।  ভারতীয়রা বাঁচতে ও বাঁচাতে পারেন, তাই হয়তো শেষটা রূপকথার মতো হয়। 


পরিশেষে ভারতীয় বংশদ্ভূত সিইওদের নাম-

শান্তনু নারায়ন- অ্যাডোব

সুন্দর পিচাই- অ্যালফাবেট

সত্য নারায়ণ নাদেল্লা- মাইক্রোসফট

রাজীব সুরি- নোকিয়া

পুনিত রাজেন- ডেলোয়েট

বসন্ত ব্যাস নরসিমহান- নোভার্টিস

অজয়পাল সিং বঙ্গা- মাস্টারকার্ড

ইভান ম্যানুয়েল মেঞ্জেস- দিয়াজিও

নিরাজ এস শাহ- ওয়েফেয়ার

স্নজয় মেহরোত্রা- মাইক্রোন

জর্জ কুরিয়ান-- নেটঅ্যাপ

নিকেশ আরোরা- পালো আলতো নেটোয়ার্কস

দীনেশ সি পালিওয়াল- হরমন ইন্টারন্যাশনাল ইন্ড্রাস্ট্রিজ

National Tribune

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: শেখ মো: আনোয়ার হোসেন নবীন

প্রকাশক: শেখ মো: আনোয়ার হোসেন নবীন

যোগাযোগ: । +880244809006 । +880244809006 । nationaltribunebd@gmail.com

ঠিকানা: আমতলা বাজার, ৬০ ফুট রোড, মিরপুর, ঢাকা

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.